কলেজ সম্পর্কে

Home / কলেজ সম্পর্কে

নড়াইল সরকারি মহিলা কলেজ, নড়াইল

Picture

প্রতিষ্ঠাকাল- ১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দ

কলেজ ক্যাম্পাস

পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন কলেজ ক্যাম্পাস

বার্ষিক বনভোজন

বার্ষিক বনভোজনে আমরা সকলে।

উৎসবমুখর আমাদের ক্যাম্পাস

উৎসব পালনে আমাদের কলেজ

কলেজ সম্পর্কে

Picture
চিত্রা নদী বিধৌত প্রকৃতির অপরূপ শোভায় সুশোভিত নড়াইল জেলায় ১৯৮৬ সালে স্থানীয় কতিপয় বিদ্যোৎসাহী ব্যক্তিত্ত¡ ও জেলা প্রশাসন এর একান্ত সহযোগিতায় নড়াইল সরকারি মহিলা কলেজটির যাত্রা শুরু। পরবর্তীতে বর্তমান দুর্গাপুরে সরকারি ২ একর খাস জমিতে এর স্থায়ী কার্যক্রম শুরু হয়। মাত্র ০৬ জন ছাত্রী নিয়ে জেলা শিল্পকলা মিলনায়তনে সর্বপ্রথম এর যাত্রা শুরু। আর এভাবেই আজকের এই বৃহৎ প্রতিষ্ঠানটি ধীরে ধীরে বর্তমান সময়ে এসে পরিপূর্ণতা লাভ করেছে। কলেজটি জাতীয়করণে ১৯৯৭ সালের তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবদান অনস্বীকার্য। যশোর বোর্ডের অধীনে শুরুতে দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত পাঠদান করা হলেও পরবর্তীতে ২০১৩-১৪ শিক্ষাবর্ষ থেকে ডিগ্রী পর্যায়েও পাঠদানের অনুমতি পাওয়া যায় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। তাছাড়া বর্তমানে ৭টি বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু করার একটি প্রস্তাবও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবেচনাধীন রয়েছে।
দেশ ও জাতির কল্যাণে এ অঞ্চলের নারীদের শিক্ষিত ও দক্ষ জনশক্তি হিসেবে তৈরি করার লক্ষ্যে এ প্রতিষ্ঠানটি জেলার একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে। অবস্থানগত কারণে নান্দনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সৌন্দর্যে ভরপুর এ কলেজের রয়েছে তিনটি ভবন এবং একটি সুদৃশ্য ছাত্রী নিবাস। বিদ্যমান তিনটি ভবনের দু’টিতে পাঠদান করা হয় এবং অপরটি প্রশাসনিক ভবন হিসেবে ব্যবহৃত হয়। এছাড়াও কলেজের সকল শ্রেণিকক্ষ এবং অন্যান্য কাজে ব্যবহৃত কক্ষগুলোতে রয়েছে ২৮ টি সিসি ক্যামেরা যা ছাত্রীদের সার্বক্ষণিক নিরাপত্তার কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। শ্রেণিপাঠের মধ্যবর্তী সময়ে ছাত্রীদের সময় কাটানোর জন্য কলেজ চত্তরে একটি মনোমুগ্ধকর ও সিন্গ্ধ অপেক্ষাগার রয়েছে।
একাডেমিক কার্যক্রমের আওতায় বিভিন্ন মডেল ক্লাস এবং পরীক্ষাসমূহ নিয়মিত অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি পরীক্ষার পর অভিভাবক সমাবেশ করে তাঁদের সন্তানদের পড়াশুনার মান পর্যালোচনার মাধ্যমে বাস্তবভিত্তিক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়ে থাকে। ১৬ টি বিষয়ে মোট বিশ জন শিক্ষক এ পাঠদান কার্যক্রমের সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন। ক্রমান্বয়ে এ প্রতিষ্ঠানটি পড়াশুনার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। ইতঃপূর্বে এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে ১৯৯৩ সালে একজন এবং ১৯৯৪ সালে একজন পরপর দু’বছর যশোর বোর্ডে মেধা তালিকায় ৫ম স্থান লাভ করেছিল। বিভিন্ন জাতীয় দিবসগুলোতেও এ কলেজের ছাত্রীদের রয়েছে দীপ্ত পদচারনা।
জেলা পর্যায়ে সংগঠিত যে কোন কার্যক্রমে এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মেয়েরা প্রতিনিয়ত প্রতিভার সাক্ষর রেখে চলেছে। বিভিন্ন সময়ে এখান থেকে পাসকৃত ছাত্রীরা বর্তমানে সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে অনেক উচ্চ পদে যেমন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, ডাক্তার, ক্যাডার কর্মকর্তা, ব্যাংক এবং সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়সহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছে। ‘শিক্ষা নিয়ে গড়ব দেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ’ এর বাস্তবায়নে এবং উন্নত জনসম্পদ তৈরিতে এ প্রতিষ্ঠানটি একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হিসেবে ছাত্রীদের গড়ে তোলায় এখানকার শিক্ষক ও কর্মচারীবৃন্দ সার্বক্ষণিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে।